প্রতিদিন ৩ থেকে ৪টি খেজুর খেলে কি হয় ?

প্রতিদিন ৩ থেকে ৪টি খেজুর খেলে কি হয় ?

ছো্ট্ট এই ফলটি যদিও আমাদের পছন্দের তালিকায় এখনও খুব বেশী জায়গা করতে পারেনি তবুও এর রয়েছে অসাধারন সব উপকারিতা।প্রচুর মাত্রায় ফাইবার,ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ এই সুস্বাদু মিষ্ট ফল খেজুর।দারুন সব উপকার পা্ওয়া যায় প্রতিদিন সকালে ৩থেকে ৪ টি খেজুর খেলে।কনস্টিপেশন রুগিদের জন্য এই খেজুর মহা্ঔষধ, পৃথিবিতে প্রায় সাড়ে চারশ জাতেরও বেশী খেজুর পাওয়া যায়, প্রবাদ আছে একটি বছরে যতগুলি দিন আছে খেজুরে তার চেয়ে বেশী গুন আছে।গবেষকদের মতে শুকনা খাবারের মধ্যে খেজুরেই সবচেয়ে বেশী পলিফেনল থাকে।বিপজ্জনক অনেক রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে পলিফেণল।খেজুরের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিমানে সালফার,ক্যালসিয়াম,পটাসিয়াম,তেল,আয়রন,ফসফরাস,ম্যাঙ্গানিজ,কপার বিদ্যমান যা সু-স্বাস্থের জন্য অতি প্রয়োজনীয়।
এছাড়াও আরও যেসব উপকারীতা খেজুরে পাওয়া যায়-
১)স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে,
২)আয়রনের চমৎকার উৎস-যারা রক্তস্বল্পতায় ভুগছনে তাদের জন্য খেজুর টনিকের কাজ করে, রক্তে লোহিত কণিকার প্রধান উপাদানের অভাবে রক্তশুন্যতা দেখা দেয়,খেজুর লৌহসমৃদ্ধ বলে রক্তশুন্যতা দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে,
৩)দুর্বলতা দুর  করে।
৪)রুচি বাড়ায়,
৫)দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে,
৬)দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়,
৭)কোষ্টকাঠিন্যের জন্য মহাঔষধ, যা আগেই বলা হয়েছে,
৮)হৃৎপিন্ডের স্বাস্থ্য ভাল রাখে,
৯)উচ্চ রক্তচাপ কমাতে খেজুর অত্যন্ত কার্যকর,
১০)খেজুরের ভিটামিন ও খনিজ আমাদের হাড়কে অত্যন্ত শক্ত ও মজবুত করে যে, বৃদ্ধ বয়সে অস্টিওপোরোসিসের মত রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করে।
১১)অ্যালার্জির প্রকোপ কমায়,
১২)অ্যানিমিয়া রোগ থেকে দুরে রাখতে সাহায্য করে,
১৩)মস্তিস্কের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং স্ট্রোক প্রতিরোধে খেজুর কার্যকরী,
১৪)খেজুর কোলস্টোরেল থেকে  মুক্তি দেয়,
১৫)পাতলা পায়খানা বন্ধে বিশেষ কার্যকর,
১৬)সারাদিন রোজা রাখার পর পেট খালি থাকে বলে শরীরে গ্লুকোজের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় যা খেজুর দ্রুত পুরনে সাহায্য করে,
১৭)মুখের লালাকে খাবারের সাথে ভালভাবে মিশিয়ে বদহজম থেকে  রক্ষা করে,
১৮)খেজুর ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধে বিশেষ কার্যকর ।
Reviews

1 Comment

Comments are closed.

x